Reading Time 2 min

উচ্চশিক্ষা- ব্যাচেলর, মাস্টার্স কিংবা পিএইচডি’র জন্য সাধারণত জার্মানিতে বছরের দুই সেশনে আবেদন করা যায়। সামার এবং উইন্টার সেমিস্টার।

কখন আবেদন করা উচিত?

সামার সেমিস্টার:

ইউনিভার্সিটি ভেদে বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল এই সময়ের মধ্যে সামার সেমিস্টার ক্লাস শুরু হয়। এই সেমিস্টারে আবেদন করতে চাইলে আগের বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর- এই সময়ের মধ্যে আবেদনের কাজটি সেরে ফেলতে হবে। যদিও কিছু ইউনির্ভাসিটিতে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত সুযোগ দিয়ে থাকে।

উইন্টার সেমিস্টার:

বছরের সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর- ক্লাস শুরু হয়। আবেদনের জন্য ঐ বছরের মার্চ-এপ্রিল থেকে শুরু করে জুন-জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত আবেদন করা যায়।

কিভাবে আবেদন করা যায়?

দুইভাবে আবেদন করা যেতে পারে- সরাসরি ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট অথবা ইউনি-অ্যাসিস্ট। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোর্সের ওয়েব সাইটে এই সম্পর্কিত তথ্য স্পটভাবে উল্লেখ থাকবে। যদি আবেদন সরাসরি ইউনিভার্সিটি পোর্টাল থেকে হয় সাধারণভাবে কোন ধরণের আবেদন ফি দরকার হয় না। অন্যদিকে ইউনি-অ্যাসিস্টের জন্য ফি দেওয়া বাধ্যতামূলক। যদিও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ইউনির্ভাসিটি ইউনি-অ্যাসিস্টের ফি মওকুফ করে দিতে পারে।

আবেদনের জন্য যা যা লাগবে?

১।  যদি ব্যাচেলরে আবেদন করতে হয় তাহলে ম্যাট্রিক ও ইন্টারের মার্কস শীট ও সার্টিফিকেট লাগবে। অধিকাংশ জার্মান ইউনিভার্সিটি ব্যাচেলরের জন্য স্টুডেন্ট-কলিগ অথবা বিকল্প হিসেবে একবছরের স্টাডি ডকুমেন্ট চাইতে পারে। মাস্টার্সের জন্য সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপট কপি দরকার হতে পারে। মনে রাখতে হবে ব্যাচেলর বা মাস্টার্সের ট্রন্সক্রিপট এবং সার্টিফিকেট ইউনিভার্সিটির অথোরিটি থেকে ছোট খামে সিলগালা করে নিতে হবে। ম্যাট্রিক এবং ইন্টারের ডকুমেন্ট নোটারি করলেই হবে। কিছু ক্ষেত্রে যদি উল্লেখ থাকে তাহলে অ্যাম্বাসি থেকে অ্যাটেস্টেট করে নিতে হবে।

২।  ৬.০+ আয়েল্টস স্কোর। অধিকাংশ জার্মান ইউনিভার্সিটির জন্য আয়েল্টস ৬.০ থেকে শুরু করে ৭.০ পর্যন্ত উঠানামা করতে পারে।

৩।  সম্পর্কিত ফিল্ডে চাকরি বা গবেষণার নূন্যতম ২ বছরের অভিজ্ঞতা। মাস্টার্সে কিছু কোর্সে এই অভিজ্ঞতা চাওয়া হতে পারে।

৪।  মটিভেশন লেটার/কভার লেটার। সহজ বাংলায় ১-২ পাতায় নিজের মার্কেটি করা।

৫।  লেটার অব রিকোমেন্ডেশন। স্টুডেন্ট হিসেবে আপনার আশেপাশের অ্যাকাডেমিক মানুষ আপনার সম্পর্কে পজিটিভ নাকি নেগেটিভ কেমন ধারণা রাখে তার জন্য এই ব্যবস্থা। সহজ বাংলায় ইউনিভার্সিটির শিক্ষক থেকে আপনার রিকোমেন্ডেশন নিতে হবে। অনেক সময় ভালো একটি রিকোমেন্ডেশন লেটার অ্যাডমিশনের জন্য অনেক পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। এবং খেয়াল রাখতে হবে তা যেনো অবশ্যই সিলগালা করা খামে থাকে।

৬।  সিভি। ইউরোপাস সিভি হতে হবে। এই সিভিটি সবকিছু ট্যাবুলার ফরমেটে ১-২ পাতার মধ্যে সীমাব্ধ রাখতে হয়।

Facebook Comments

Leave a Reply

Close Menu